২০১৮ সালের কথা। বাংলাদেশে তখন অনলাইন বেটিং প্রায় সবাই বিদেশি প্ল্যাটফর্মে করতেন — ইংরেজি ইন্টারফেস, বিদেশি পেমেন্ট গেটওয়ে, আর বাংলায় কোনো সাপোর্ট নেই। ঢাকার কয়েকজন তরুণ প্রযুক্তিবিদ ও স্পোর্টস অনুরাগী মিলে সিদ্ধান্ত নিলেন — এটা বদলাতে হবে।
তাঁদের একটাই প্রশ্ন ছিল: বাংলাদেশের মানুষ কেন নিজের ভাষায়, নিজের পেমেন্ট পদ্ধতিতে বেটিং করতে পারবেন না? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে জন্ম হলো 9tk10-এর।
প্রথম দিনের চ্যালেঞ্জ
শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না। প্রযুক্তিগত অবকাঠামো তৈরি করা, বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের চাহিদা বোঝা, আর একই সাথে নিরাপদ ও বিশ্বস্ত একটি প্ল্যাটফর্ম দাঁড় করানো — সব মিলিয়ে প্রথম বছরটা ছিল প্রচুর পরিশ্রম আর শেখার বছর। কিন্তু দলটি হাল ছাড়েনি।
প্রথম কয়েক মাসে মাত্র কয়েক হাজার সদস্য ছিলেন। কিন্তু তাঁরাই 9tk10-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠলেন। তাঁদের ফিডব্যাক, পরামর্শ আর বিশ্বাস — এটাই 9tk10-কে এগিয়ে নিয়ে গেছে।
"9tk10-এ প্রথমবার বেট করার সময় বাংলায় সব কিছু দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। মনে হলো, এটা আমাদের জন্যই বানানো।"
— Rafiqul I., সিলেট, সদস্য ২০১৯ থেকেবিশ্বাস যেভাবে তৈরি হলো
অনলাইনে বিশ্বাস অর্জন কঠিন — বিশেষত অর্থের লেনদেন জড়িত থাকলে। 9tk10 শুরু থেকেই স্বচ্ছতার উপর জোর দিয়েছে। প্রতিটি জয়ের টাকা সঠিক সময়ে পেমেন্ট, প্রতিটি অভিযোগের দ্রুত সমাধান, আর ব্যবহারকারীদের সাথে সৎ যোগাযোগ — এই তিনটি বিষয়ই 9tk10-এর ভিত্তি।
৯ টাকা দিয়ে শুরু হওয়া ছোট বেটও 9tk10-এ সম্মানের সাথে নেওয়া হয়। কারণ আমরা জানি, একজন সাধারণ বেটারের কাছে প্রতিটি টাকার মূল্য আছে।
আজকের 9tk10
আজ 9tk10-এ ৫ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য রয়েছেন। ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস, বাস্কেটবলসহ ৩০-এরও বেশি স্পোর্টসে বেটিং করা যায়। প্রতিদিন ৫০০-এর বেশি ম্যাচের অডস পাওয়া যায়, আর পেআউট রেট ৯৮%-এর উপরে।
কিন্তু সংখ্যার চেয়ে বড় কথা হলো — 9tk10-এর সদস্যরা এখানে নিরাপদ বোধ করেন। তাঁরা জানেন জেতার টাকা পাবেন, সাপোর্ট পাবেন, আর কেউ তাঁদের সাথে প্রতারণা করবে না। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।
ভবিষ্যতের পরিকল্পনা
9tk10 থেমে নেই। আরও উন্নত মোবাইল অ্যাপ, আরও বেশি স্পোর্টস মার্কেট, আরও দ্রুত পেমেন্ট প্রক্রিয়া — এই সব নিয়ে কাজ চলছে। বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায়, প্রতিটি স্পোর্টসপ্রেমীর কাছে 9tk10-এর সেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের আগামীর লক্ষ্য।